Home পশ্চিমবঙ্গের খবর রাজ্যর খবর আজ বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবস, কতটুকু সচেতন জনসাধারণ ! সরকারী বিধিব্যবস্থাই বা...

আজ বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবস, কতটুকু সচেতন জনসাধারণ ! সরকারী বিধিব্যবস্থাই বা কি??

মলয় দে নদীয়া:- পিঠে স্কুলের ব্যাগ এর বদলে প্লাস্টিক কুড়ানো বস্তা, এই বয়সে সৃজনশীলতা শেখার বদলে হোটেল রেস্তোরায় খাবার দেওয়া, বাসন মাজা, শিক্ষামূলক ভ্রমণের বদলে ট্রেনে বাসে হকারী, সাইকেল মোটর গ্যারেজ এর সহযোগী শ্রমিক সমাজের নানা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে দেখা যায় শিশুশ্রমিকদের। শিশুশ্রম দন্ডনীয় অপরাধ, চাইল্ড হেল্প লাইন নাম্বার, হৃদয় বিদীর্ণ বিভিন্ন ছবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলা মন্তব্য, বিশ্ব শিশু শ্রমিক দিবস, বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবস পালন এসবের মাঝে শহরের এক কোণে পড়ে থাকা সাইনবোর্ড “নদিয়া জেলা শিশু শ্রমিক পুনর্বাসন সমিতি”। ঠিক এরকমই শান্তিপুরের দুটি বিদ্যালয়ে আমাদের ক্যামেরা পৌঁছে ছিল খবর সংগ্রহের জন্য.. চলুন দেখে নেওয়া যাক কেমন আছেন তারা… ২০০৬ সালে নদীয়া জেলা শিশু শ্রমিক পুনর্বাসন সমিতির উদ্যোগে ১০০ তি বিশেষ বিদ্যালয় তৈরিতে সক্ষম হলেও সরকারের উদাসীনতা অথবা অনুপ্রেরণা দানের অভাবে উঠে যেতে বসেছে বেশিরভাগটাই ইউনিটই।

শান্তিপুর ব্লকে তন্তুবাই স্কুল ,রবীন্দ্র বিদ্যাপীঠ স্কুল ,ঘোড়ালিয়া এবং কাঁসারি পাড়ায় চারটি ইউনিট চালু হলেও বর্তমানে দুটি কোনরকমে চালু থাকলেও বাকি দুটি বন্ধ হয়ে গেছে। দুজন শিক্ষক একজন হিসাব রক্ষক, একজন সহযোগী, দুজন মিড ডে মিল কর্মী নিয়ে দিবাকর বিশ্বাস টিচার ইনচার্জ হিসেবে ২২ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে ১৪ বছর ধরে চালাচ্ছেন রবীন্দ্র বিদ্যাপীঠ স্পেশাল স্কুল।

স্কুলের অন্য এক শিক্ষক সঞ্জয় পাল জানান “২০০৭ সালে ভর্তি হওয়া বাব্বাস সরকার, আজ স্নাতক।বিশ্বজিৎ সরকার অনিমা প্রামানিক এর মত বহু ছাত্র-ছাত্রী আজ মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের দোরগোড়ায়।তাই সরকারি সহযোগিতা এবং সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলির আন্তরিকতায় এরকম অনেক শিশুশ্রমিককেই পৌঁছানো সম্ভব সমাজের মূলস্রোতে।”


স্কুলেরই শিক্ষক হিরন বাবু জানান ৯ থেকে ১৪বছরের শিশু কর্মক্ষেত্র থেকেই মালিকের কাছ থেকে প্রাপ্ত জরিমানা বাবদ এককালীন ২৫ হাজার টাকা পান প্রথমেই। শিক্ষা গ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রম দপ্তর থেকে পূর্বে দেড়শ বর্তমানে ৪০০ টাকা প্রতি মাসে, মিড ডে মিলের বরাদ্দ, স্কুল ইউনিফর্ম ব্যাগ সরকারি শংসাপত্র, খেলার সামগ্রী শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের সাম্মানিক কিছু অর্থ বরাদ্দ থাকলেও জেলা এন সি পি এল এর ইউ সি সার্টিফিকেট না পাওয়ায় বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত যায় প্রতিবছরই। সংস্থার পক্ষে বর্তমানে দায়িত্বে থাকা নদিয়া জেলা ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে সমস্ত বিষয়টি অবহিত করেছে তারা। এমনকি তাদের সাম্মানিক সামান্য কিছু অর্থ তারা পান না বিগত চার বছর ধরে। তবুও হাল ছাড়তে নারাজ তারা, জানান সকলে র সমবেত প্রচেষ্টায় আগামীতে নিশ্চয়ই সমস্ত বাধা কাটিয়ে উঠবোই আমরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

50 টাকায় অনলাইনে আধার পিভিসি কার্ড অর্ডার করুন

চিত্র উত্স: টুইটার / @ ইউআইডিএআই50 টাকায় অনলাইনে আধার পিভিসি কার্ড অর্ডার করুন how আধার পিভিসি কার্ড: ভারতের ইউনিক...

গাজিয়াবাদে এক ব্যক্তি সহজ ইএমআইএস-এ ফোন অফার করে ২,৫০০ জনকে,প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

গাজিয়াবাদের প্রতাপ বিহারের বাসিন্দা জিতেন্দ্র সিংকে দেশজুড়ে প্রায় আড়াই হাজার লোককে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। 32 বছর বয়সী...

করোনভাইরাস সম্ভবত মৌসুমী হয়ে উঠবে, তবে এখনও হয়নি, বিজ্ঞানীরা বলছেন

নয়াদিল্লি, ১৫ সেপ্টেম্বর: একবার পশুর অনাক্রম্যতা পাওয়ার পরে কোপনোভাইরাস উপন্যাসটি মেনে চলতে পারে এবং নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুযুক্ত দেশগুলিতে একটি মৌসুমী ভাইরাসে পরিণত হতে...

নদীয়ার মাজদিয়ায় অভিনব ভাবনায় অসাধারণ কচুরিপানার “রাখি”

মলয় দে নদীয়া:- সম্প্রীতির বন্ধন রাখি। একসময় রাখি তাগা হিসেবে প্রচলন ছিল। এরপর সময়ের সাথে সাথে রাখির ও হয়েছে রকমভেদ। কেউ ফুল...

Recent Comments