১২ মে মঙ্গলবার থেকে কয়েকটি জোনে প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিলেন রেল মন্ত্রণালয়। প্রথমে ১৫ টি আপ ডাউন ট্রেন চালানো হবে। অর্থাৎ রিটার্ন নিয়ে মোট ৩০ টি ট্রেন চলবে।
এখন প্রশ্ন, কোথা থেকে এই ট্রেনগুলি যাত্রা শুরু করবে। রবিবার সন্ধ্যা ৮ টা ৩০ মিনিট নাগাদ রেলমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, নয়াদিল্লি থেকে ডিব্রুগড়, আগরতলা, হাওড়া, পাটনা, বিলাসপুর, রাঁচি, ভুবনেশ্বর, সেকেন্দ্রাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, তিরুবনন্তপুরম, মদগাঁও, মুম্বই সেন্ট্রাল, আমদাবাদ এবং জম্মু তাওয়াই পর্যন্ত ট্রেন চালানো হবে শুরুতে।

রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার ১১ মে বিকেল ৪ টে থেকে এই ট্রেনগুলির জন্য রিজার্ভেশন তথা বুকিং শুরু হবে। একমাত্র irctc – র ওয়েবসাইট থেকে ট্রেনের টিকিট বুকিং করা যাবে। টিকিট কাউন্টার খুলবে না। স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম টিকিটও বিক্রি করা হবে না। যে সমস্ত যাত্রীর কাছে বৈধ টিকিট থাকবে, একমাত্র তাঁদেরই স্টেশন প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।

রেলের এই কথার অর্থ পরিষ্কার। এই ধরনের পরিস্থিতিতে বহু স্টেশনে দেখা যায়, টিকিট ছাড়াই যাত্রীরা রেল স্টেশনে পৌঁছে গিয়েছেন। অনেকের ধারণা থাকে একবার ট্রেনে উঠে পড়ার পরে আর কেউ নামাতে পারবে না। এমনকি রেলের টিকিট চেকারকেও ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করেন অনেকে। তা আটকাতেই এই সিদ্ধান্ত, তা স্পষ্ট জানিয়েছে রেল মন্ত্রক।

রেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, যাত্রীদের বাধ্যতামূলক ভাবে মুখে মাস্ক পরতে হবে বা ফেস কভার লাগাতে হবে। সেই সঙ্গে ট্রেনে ওঠার আগে তাঁদের স্ক্রিনিং করা হবে। যাঁদের শরীরে কোনও উপসর্গ নেই, কেবল তাঁদেরই ট্রেনে উঠতে দেওয়া হবে।

রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথমে ১৫ টি আপ ডাউন ট্রেন চালানোর পর ক্রমশ আরও স্পেশাল ট্রেন বিভিন্ন রুটে চালানো হবে। রেল জানিয়েছে, বর্তমানে ২০ হাজার রেল কোচকে কোভিড-১৯ কেয়ার সেন্টার করে রাখা হয়েছে। তা ছাড়া ৩০০টি ট্রেনকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন হিসাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজ নিজ রাজ্যে ফেরানোর জন্য চালাচ্ছে রেল মন্ত্রণালয় । ফলে একটা বড় অংশের কোচ সেই পরিষেবার কারণে আটকে রয়েছে। তাই কত কোচ প্যাসেঞ্জার পরিষেবা চালানোর জন্য পাওয়া যাবে তা হিসাব করার পর সেই অনুযায়ী রুট ও স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা বাড়াবে রেল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here